যৌনতায় অনিহা বাড়ছে, ভাঙছে সংসার




শুধু মানুষ নয় সকল প্রাণীই তাদের বংশ বিস্তারের জন্যে যৌনতায় জড়িয়ে থাকে। এতে করে পারস্পারিক সম্মান, মর্যাদা ও আন্তরিকতা সৃষ্টি হয়। স্থায়ী হয়। কিন্তু সম্প্রতি একটি প্রতিবেদনে দেখা গেছে মানুষের মাঝে যৌন চাহিদা কমে যাচ্ছে। ফলে সংসার ভাঙাসহ নানা ধরনের সমস্যায় জড়িয়ে পড়ছে মানুষ।
মানুষ মাত্রই যৌনাকাঙ্ক্ষা রয়েছে। তাই বলে সব মানুষই যে যৌনতায় প্রলুব্ধ হন, তা কিন্তু নয়। এ ক্ষেত্রে অনেকের নানা কারণে অনীহাও রয়েছে। যেমন সঙ্গী বা সঙ্গিনী থাকা সত্ত্বেও যুক্তরাজ্যে প্রতি পাঁচজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির মধ্যে একজনের যৌনতায় অনীহা। এই হার ক্রমে বেড়ে যাচ্ছে। সম্প্রতি এক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য ইনডিপেনডেন্ট-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল সার্ভে অব সেক্সুয়াল অ্যাটিচুডস অ্যান্ড লাইফস্টাইলসের গবেষণায় এই তথ্য জানানো হয়েছে।
গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যৌনতায় যাঁদের আগ্রহ বেশি, তাঁদের জীবনের প্রত্যাশা, জীবনমান ও আত্মসম্মানবোধ অনেক বেশি হয়। অন্যদিকে যৌনতায় অনাগ্রহের সঙ্গে বিষণ্নতা, পারস্পরিক সম্পর্কের অবনতি ও মানসিক চাপকে দায়ী করেছেন গবেষকেরা।
প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন যৌন বিশেষজ্ঞ আলফ্রেড কিনসে ৭০ বছর আগে এ নিয়ে গবেষণা করেছিলেন। ওই গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, প্রাপ্তবয়স্ক সক্ষম ব্যক্তিদের মধ্যে ১৯ শতাংশেরই যৌনতায় বিশেষ আগ্রহ নেই।
ন্যাশনাল সার্ভে অব সেক্সুয়াল অ্যাটিচুডস অ্যান্ড লাইফস্টাইলসের ২০১৩ সালের এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্যের প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকদের মধ্যে যৌনতায় অনাগ্রহ বেশি। মানুষের যৌনতার আগ্রহ নিয়ে সাধারণভাবে যে ধারণা করা হয়, তারা ওই ধারণার অনেক নিচে।
ন্যাশনাল সার্ভে অব সেক্সুয়াল অ্যাটিচুডস অ্যান্ড লাইফস্টাইলসের ২০১৫ সালের আরেক গবেষণায় বলা হয়, গত কয়েক মাসে প্রাপ্তবয়স্ক ৫১ শতাংশ মানুষ যৌনতায় একদম অংশ নেননি। দ্রুত এ ক্ষেত্রে তাঁদের আগ্রহ কমে গেছে।
গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, যৌনতায় মানুষের আগ্রহ কমে যাওয়ার মূল কারণ হলো স্বাস্থ্যগত সমস্যা। শারীরিক সমস্যার কারণেই সঙ্গী বা সঙ্গিনী থাকলেও অধিকাংশ মানুষ যৌনতা থেকে দূরে থাকতে চান। এ ছাড়া হৃদ্‌রোগ, শরীরে জটিল ব্যথা, বিপাক-সংক্রান্ত সমস্যা, ব্যক্তিত্বের সমস্যা, যৌনতার ক্ষেত্রে নির্যাতন ও স্বল্প ঘুমের কারণেই যৌনতায় অনীহা বেড়ে চলেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, যাঁদের হৃদ্‌রোগ আছে, তাঁরা ভাবেন যৌনতার সময় হুট করে হৃদ্‌যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এ ধরনের ভয়ে ভোগেন তাঁরা। আর এ কারণেই যৌনতা থেকে দূরে থাকাই তাঁরা শ্রেয় মনে করেন। এ ছাড়া যাঁরা বিষণ্নতা রোধের নিয়মিত ওষুধ খান, ওই ওষুধের প্রতিক্রিয়ায় তাঁদের যৌন আকাঙ্ক্ষা কমে যায়।
নারী-পুরুষের ক্ষেত্রে যৌনতায় অনীহা হারে ভিন্নতা রয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, পুরুষদের চেয়ে নারীদের যৌনতায় অনাগ্রহ সবচেয়ে বেশি। যৌনতা এড়িয়ে চলা নারীদের হার ৪০ শতাংশেরও বেশি। আর এই বিভাজন তাঁদের কৈশোর বয়স থেকেই শুরু হয়েছে।
যৌনতায় অনীহার ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের আলাদা হারের প্রসঙ্গে গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, যৌনতার সময় ব্যথা পাওয়া নারীদের সাধারণ সমস্যা। এই ব্যথা পাওয়ার ভয় থেকেই অনেক নারী যৌনতা এড়িয়ে চলার চেষ্টা করেন। এ ছাড়া যৌন নির্যাতনের ভয়, কোনো কারণে যৌন আকাঙ্ক্ষা কমে যাওয়া ও কৈশোরে ঘটে যাওয়া যৌন নির্যাতনের স্মৃতিও নারীদের যৌন অনীহার কারণ। আবার ভ্রূণের ক্ষতির আশঙ্কায় অনেক অন্তঃসত্ত্বা নারী যৌনতা এড়িয়ে চলেন।
আর পুরুষদের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, একদম নিজস্ব কারণেই পুরুষদের যৌনতায় আগ্রহ কমছে। কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে যৌন অক্ষমতা, স্বাস্থ্যগত জটিল সমস্যা ও সুযোগের অভাব। একাকিত্বে ভোগা নারী ও পুরুষেরা একসময় যৌন হতাশায় ভোগেন। আর যাঁদের সঙ্গী বা সঙ্গিনী চলে যান, তাঁরা একসময় পর্নোগ্রাফিতে আসক্ত হন। যার পরবর্তী সময়ে নেতিবাচক প্রভাব যৌন আকাঙ্ক্ষা কমিয়ে দেয়।
গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, যৌনতায় আগ্রহ না থাকার পেছনে বয়স একটা কারণ। অনেক বয়স্ক ব্যক্তির ধারণা, তাঁরা এতটাই বুড়ো হয়ে গেছেন যে তাঁদের জন্য আর যৌনতা নয়। তবে সবার ক্ষেত্রে এই ধারণা এক না-ও হতে পারে।
গবেষকেরা বলছেন, যদি আপনি এমনিতেই সুখী হয়ে থাকেন, তাহলে যৌনতায় অনাগ্রহ বড় কোনো সমস্যা নয়। তবে গত বছর এক গবেষণায় দেখা গেছে, যুক্তরাজ্যে যৌনজীবন নিয়ে মাত্র ৬৪ শতাংশ মানুষ সুখী। এই সমাজে মানুষ যৌনতায় অনাগ্রহ নিয়ে তেমন একটা কথা বলেন না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ‘এ ক্ষেত্রে কথা বলতেই হবে। আপনি যদি আপনার স্বাস্থ্য ও যৌনজীবন নিয়ে সচেতন হতে চান, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করুন।’


যে ৬টি অভ্যাস সম্পর্ক নষ্ট করার জন্য দায়ী



অনেক ভালোবাসায় গড়া একটি সম্পর্ক শেষ করে দেওয়ার জন্য ছোট একটি ভুলই যথেষ্ট। একটি সম্পর্ক তৈরি করা যত না সহজ, তার চেয়ে অনেক বেশি কঠিন সেটি রক্ষা করা। ছোট ছোট বদ অভ্যাস সম্পর্ক খারাপ করার জন্য দায়ী থাকে। সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে এই অভ্যাসগুলো ত্যাগ করুন।
জেনে নিন যে ৬টি অভ্যাস সম্পর্ক নষ্ট করার জন্য দায়ী-
১। প্রশংসা না করা
সম্পর্কে প্রশংসা খুব গুরুত্বপূর্ণ। প্রশংসা ভালোবাসা বৃদ্ধি করার সাথে সাথে পারস্পরিক সম্পর্ক মজবুত করে তোলে। সঙ্গীর কাজের প্রশংসা করুন, তা যত ছোট কাজই হোক না কেন। ছোট একটি ধন্যবাদ সম্পর্ককে আরো সুন্দর করে তুলবে।
২। নজরদারী বা গোয়েন্দাগিরি করা
সঙ্গীকে বিশ্বাস করুন। তাঁর ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, ই-মেইল, সোশ্যাল মিডিয়া কার্যকলাপে নজরদারী করা থেকে বিরত থাকুন। কোন প্রশ্ন থাকলে সরাসরি তাঁর সাথে সেই বিষয়ে কথা বলুন। মনে রাখবেন আলোচনা সব সমস্যার সমাধান করে দেয়।
৩। দোষারোপ করা
একে অপরকে দোষ দেওয়া সম্পর্ক নষ্ট হওয়ার অন্যতম একটি কারণ। আপনি যদি তাকে ভালোবাসেন তবে তাঁর দোষ ধরা বন্ধ করুন। হয়তো তাঁর অভ্যাসটি খারাপ, দোষ না দিয়ে তাকে বুঝিয়ে বলুন। দেখবেন নিজেদের মধ্যে ভুল বুঝাবুঝি অনেকটা কমে গেছে।
৪। অপেক্ষা করানো
আপনি কি সবসময় ডেটিং এ দেরি করে যান? কিংবা ফোন করার কথা ভুলে যান? এই বিষয়টি আপনার কাছে গুরুত্বপূর্ণ মনে না হলেও সম্পর্ক নষ্ট করার জন্য এটি অনেকাংশে দায়ী। সব সময় অপেক্ষা কারনো, কথা দিয়ে কথা না রাখা সম্পর্কের প্রতি আপনার অনীহা প্রকাশ করে।
৫। মিথ্যা বলা
যেকোনো সম্পর্কের জন্য মিথ্যা ক্ষতিকর। এটি ঠিক যে সত্য সব সময় তিক্ত! কিন্তু সম্পর্কের ক্ষেত্রে যত কঠিন সত্য হোক না কেন তা সঙ্গীকে বলে দেওয়া উচিত। হয়তো সাময়িকভাবে সম্পর্ক কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হবে, তবে দীর্ঘমেয়াদী সম্পর্কের জন্য এটি উপকারী।
৬। সময় কম দেওয়া
অনেকেই মনে করেন সম্পর্কে ভালোবাসা থাকাটাই শুধু জরুরি, আর কিছু নয়। সম্পর্কে একে অপরকে সময় দেওয়াটাও বেশ গুরুত্বপূর্ণ। দিনের কিছুটা সময় সঙ্গীর জন্য রেখে দিন। তাকে ফোন করুন। সময় থাকলে তাঁর সাথে কোথাও ঘুরতে যান।
একটি সম্পর্ক চারা গাছের মত। একটি গাছকে যেমন যত্ন করে বড় করে তুলতে হয়। ঠিক তেমনি সম্পর্ক ক্ষেত্রেও একটু যত্ন, বিশ্বাস আর অনেকখানি ভালোবাসার প্রয়োজন।



বাংলাদেশের যে অঞ্চলে পাত্রের অভাবে সুন্দরী মেয়েদের বিবাহ হচ্ছে না !




মুখোমুখি কক্সবাজার টেকনাফের মানুষ। ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় গত ৭ বছরে টেকনাফের সাগর উপকূল দিয়ে ট্রলারে করে ঝাঁকে ঝাঁকে মানব মালয়েশিয়া গমনের প্রেক্ষিতে টেকনাফ সীমান্তের সাবরাং ও শাহপরীরদ্বীপ উপকূলীয় এলাকার ১৫টি পাড়ার যুবক শূন্য হয়ে পড়েছে। যুবতীরা বিয়ের উপযুক্ত হবার পর পাত্রের অভাবে বিয়ের পিড়িতে বসতে পারছে না।
এছাড়া পাশ্ববর্তী দেশ মিয়ানমারের আরাকান থেকে রোহিঙ্গা নাগরিক বউ চোরাইপথে টেকনাফ সীমান্ত এলাকায় প্রবেশের ফলে বাংলাদেশি মেয়েরা উপযুক্ত পাত্র পাচ্ছে না। সম্প্রতি সাগর উপকূলীয় এলাকার মানব পাচার এয়ারপোর্ট নামে হিসাবে খ্যাত সাবরাং কাটাবনিয়া ও শাহপরীদ্বীপ সরেজমিন পরিদর্শনে গেলে এ তথ্য পাওয়া যায়। তথ্যমতে টেকনাফ সীমান্ত উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের সাগর উপকূলীয় এলাকার ১৫টি পাড়া মালয়েশিয়ায় ভাগ্যের আশায় সাগর পথে ট্রলার যোগে নারী পুরুষ পাড়ি জমানোর ফলে ওই সব পাড়া এখন প্রায় যুবক শূন্য হয়ে পড়েছে। পাড়াগুলো হচ্ছে, সাবরাং এর কাটাবনিয়া, কচুবনিয়া, হারিয়াখালী, খুরেরমূখ, মুন্ডারডেইল, কোয়াংছড়িপাড়া, আলীর ডেইল, ডেগিল্যারবিল, চান্দলীপাড়া, নয়াপাড়া, শাহপরীরদ্বীপের পশ্চিমপাড়া, দক্ষিণপাড়া, মাঝেরপাড়া, মিস্ত্রিপাড়া, ভাংগরপাড়া ও উত্তরপাড়া।
এসব পাড়া দিয়ে গত ৭ বছরে সাগর পথে ট্রলারযোগে ঝাঁকে ঝাঁকে মানব মালয়েশিয়া সোনার হরিনের আশায় পাড়ি জমিয়েছিল। এর মধ্যে অধিকাংশ যুবক বলে এলাকাবাসী জানান। স্থানীয় মানবপাচারকারী দালালরা নানা প্রলোভন দিয়ে ওদের ঝুকিপূর্ণ সাগর পথ দিয়ে মালয়েশিয়ায় নিয়ে গেলেও এদের মধ্যে অনেকের হাদিস নেই বলে ঐসব এলাকার তাদের আত্নীয় স্বজনেরা অভিযোগ করেন।
অপর দিকে মালয়েশিয়ায় যারা ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় পাড়ি জমিয়েছিল তাদের মধ্যে অনেকেই প্রতারণা, কর্মের অভাব ও নানা অসুখে বিসুখে ভুগছেন বলে জানা যায়। তাই তারাও সেখানে শান্তিতে নেই এবং তারা স্বদেশে ফিরে আসতে চায়। ঐসব এলাকার যুবক শূণ্যতার কারণে বিয়ের উপযুক্ত সময়ে পদার্পন করার পর পাত্রের অভাবে যুবতীরা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পাত্র শিকারে ব্যস্তজীবন কাটাচ্ছে। আবার অনেকেই ইয়াবা পাচার ও বিভিন্ন অসমাজিক কার্যকলাপে জড়িয়ে পড়েছে। হাটে বাজারে, দোকানে ও যানবাহনে এদের অবাধ বিচরণ লক্ষ্য করার মত।
অপর দিকে মিয়ানমারের আরাকান প্রদেশে অনুরূপভাবে যুবক শূন্যতার খবর পাওয়া গেছে। ইয়াবা ব্যবসার সার্থে টেকনাফ সীমান্ত এলাকার যুবকেরা মিয়ানমারের যুবতীদের বউ বানিয়ে নিয়ে আসছে এবং মিয়ানমারের যুবতীরা বাংলাদেশী যুবকদের মোটা অংকের যৌতুক দিয়ে বিয়ে করছে।
এমন তথ্য বিভিন্ন গোয়েন্দা ও মিডিয়াদের রয়েছে। এব্যাপারে টেকনাফ উপজেলা নিকাহ রেজিষ্টার (কাজী) মো. রাকেবুল হক এর সাথে ফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি জেনেছেন এবং যুবক শূন্য এলাকায় অতীতের মত বিবাহ সম্পাদন বর্তমানে তেমন হচ্ছে না



পশুর হাটে যেভাবে চিনবেন ওষুধ খাওয়ানো এবং অসুস্থ গরু



পশুর হাটে যেভাবে চিনবেন – আমরা বাঙালী মাত্রই হুজুগে জাতি। কোনো কিছু নতুন আসলেই আমাদের সেটা নিয়ে মেতে উঠতে হবে। পাশের বাসার অমুক ভাই এই জিনিসটা কিনছেন, তাহলে আমারও সেটা কিনতে হবে।
তমুক ফ্ল্যাটের সমুক ভাবী এক লাখ টাকার শপিং করেছেন ইন্ডিয়া থেকে, আমাকেও সেটা কিনতে হবেই। নিজেদেরকে বড় দেখানোর সুযোগ পেলে আমরা কিছুতেই ছাড়িনা। হোক সেটা তুচ্ছ কোনো জিনিস বা বিরাট কোনো বিষয়। এজন্যই আমাদের দেশে যেসব পণ্য পাওয়া যায় তাতে গুণগত মানের চেয়ে চটকদার প্রচারণাতেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।
রমজানের ঈদে সব সংযম ভুলে আমরা প্রতিযোগিতা করি কে কত বেশি দামের জামা কিনতে পারব। আর কুরবানির ঈদে ত্যাগের মহিমা বাদ দিয়ে আমরা মেতে উঠি কে কত বড় প্রাণী কুরবানি দেব। এসবের ফায়দা নিয়ে এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী আরম্ভ করেছে কুরবানির পশুকে নিয়ে ব্যাবসা। প্রশাসন দেরিতে হলেও পদক্ষেপ নিয়েছে, কিন্তু তা সত্যিই অপ্রতুল। আর এই ব্যার্থতার পিছনে একমাত্র কারণ হচ্ছে আমাদেরই অন্যায় চাহিদা।
কয়েকবছর ধরে টিভি, পত্র-পত্রিকায় গরু মোটাতাজাকরন আর এর প্রভাবের উপর অনেক লেখালেখি হচ্ছে। কিন্তু তাও কি আমরা এর সম্পর্কে সচেতন হচ্ছি? বাজারে গিয়ে আমাদের চোখ কি বড়-চকচকে গরুটার দিকে যায়না?
তাই আজকে আমার এই লেখা আপনাদেরকে মোটাতাজাকরনের প্রভাব, কুরবানির সুস্থ এবং অসুস্থ গরু চেনার উপায়, বাজারে ব্যবসায়ীরা কি কি অসাধু কাজ করে এবং বাজারে সঠিক মাংস চেনার উপায় নিয়ে।
গরু মোটাতাজাকরনঃ
আপনি যদি চান, তবে ভালো জাতের প্রাণীকে সুষম খাবার, নিয়মিত কৃমিনাশক, ভিটামিন-মিনারেলস এবং সর্বোপরি সঠিক ম্যানেজমেন্ট দিলেই তার অন্য গরুর চেয়ে কম সময়ে ওজন বাড়বে এবং এটা সম্পূর্ণ বিজ্ঞান সম্মত। কিন্তু আমরা সেটা করব না, আমরা প্রাণীকে একমাসের মধ্যে মোটা বানাব, বানিয়ে টাকা কামাব। অতদিন অপেক্ষা করার সময় আছে নাকি আমাদের?
এখন আপনাদের বলছি প্রাণীকে কম খরচে অল্প সময়ে মোটা বানানোর ওষুধ খাওয়ানোর ফল কি হতে পারে। এসব কাজে ব্যাবহার করা হয় স্টেরয়েড টাইপের ড্রাগ। ২০১০ সালে প্রেসক্রিপশন ছাড়া স্টেরয়েড ড্রাগ বিক্রি নিষিদ্ধ হলেও সেগুলো পাচার হয় ইন্ডিয়া থেকে। বাজারে এরা ভিটামিন ট্যাবলেট হিসেবে আসে। স্বল্পশিক্ষিত ফার্মেসিওয়ালারা এসব ড্রাগ না জেনেই বিক্রি করে থাকেন কিছু কমিশনের আশায়।
কোরবানি সিজন এবং আমাদের নিজেদের সেরা দেখানোর হুজুগ
স্টেরয়েড প্রয়োগ করে অল্প সময়ে মোটা করা একটি গরুর নমুনা
এই ড্রাগ প্রাণীর শরীরে গিয়ে যেসব মুল প্রভাব ফেলে তা হলঃ
বিপাকক্রিয়ার হার বাড়িয়ে দিবে এবং এতে শরীর প্রোটিন ও লিপিড ব্যবহার করে শক্তি বানাতে চাইবে।
কিডনির নেফ্রনের স্টেরয়েড রিসেপ্টরের সাথে যুক্ত হয় এবং শরীর থেকে পানি বের হতে দেয়না। এই অতিরিক্ত দূষিত বর্জ্যযুক্ত পানি শরীরের বিভিন্ন কোষে জমা হয়ে গরুর শরীরকে অস্বাভাবিক মোটা দেখায়।
প্রাণীর শরীরের গ্লুকোজ সমতা কমে গিয়ে ডায়াবেটিস হবে।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাবে।
আক্রান্ত গরুর মাংস খেলে আপনার শরীরে কি প্রভাব ফেলবেঃ
কিডনিতে সমস্যা দেখা দিবে।
ডায়াবেটিস রোগিরা অতিমাত্রায় এমন প্রানীর মাংস খেলে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পরবেন।
চোখে গ্লুকোমা হতে পারে।
প্রজননক্ষমতা কমে যাবে।
অতিরিক্ত স্টেরয়েড মাংসপেশি আর হাড়ের ক্ষয় করতে পারে।
দীর্ঘদিন ধরে এমন মাংস খেলে আপনার রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাবে।
অসুস্থ গরু চেনার উপায়ঃ
শরীর হবে থলথলে,উরুতে অতিরিক্ত মাংস থাকবে।
গরু চলাফেরা কম করতে চাইবে।
পুরো শরীরে পানি জমে মোটা দেখাবে, চাপ দিলে সহজে গর্ত হয়ে যাবে।
পাঁজরের হাড় যেখানে শেষ হয়েছে সেখানের একটু গর্ত জায়গাটুকুও অতিরিক্ত ভরাট মনে হবে।
গরু যে হারে মোটা হবে তার দ্বিগুণ হারে ওজন কমবে।
অসুস্থ গরুর মাংস চেনার উপায়ঃ
মাংসের রঙ স্বাভাবিক হবেনা।
প্রাণীকে কাটলে শরীরের মধ্যে পানি জমে থাকতে পারে।
কলিজার রঙ সবখানে একইরকম লালচে হবেনা।
নাড়িভুঁড়ি গুলোতে কালচে দাগ থাকতে পারে।
চামড়া ছাড়ানোর সময় সহজে ছাড়ানো যাবেনা।
মাংসে কালচে দাগ থাকতে পারে।
স্টেরয়েড খাওয়ানো প্রাণীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে প্রস্রাবের দূষিত পদার্থ জমা হয়ে মাংস থেকে প্রস্রাবের গন্ধ আসবে।
লিভারে ছোট ছোট অসংখ্য ছিদ্র থাকবে (কলিজাকৃমি)।
ফুসফুসে অসংখ্য ছোট ছোট গোটা থাকবে (টিবি আক্রান্ত)।
কুরবানির জন্য সুস্থ গরু চেনার উপায়ঃ
মাঝারি বয়স (৩-৪ বছর) হতে হবে।
গরুর বয়স জানার উপায়ঃ ১৯-২৪ মাস গরুতে সামনে দুইটা স্থায়ী ইনসিসর দাঁত উঠবে।
তাছাড়া শিং এ মোট রিং এর সাথে ২ যোগ করলে বয়স জানা যায়।
গর্ভবতী যেন না হয়।
সাধারণ চলাফেরা করবে।
মুখের কালো অংশটা (মাজল) ভেজা এবং চকচকে হবে।
মুখ দিয়ে অস্বাভাবিক ভাবে লালা পরবেনা।
গরু অন্ধ কিনা দেখার জন্য চোখের সামনে আঙ্গুল নাড়াতে হবে এবং পারলে গরুকে একটু হাঁটিয়ে দেখতে হবে।
চামড়া মোটামুটি ঢিলেঢালা হবে।
বুক প্রশস্ত আর বিস্তৃত। কোমরের দুই পাশ পুরু আর প্রশস্ত।
কাঁধ পুরু আর মসৃণ এবং পিঠটা সমতল হবে।
শরীরের হাঁড়ের আকার মোটা হবে।
বুক প্রশস্ত আর বিস্তৃত হতে হবে।
পিঠ চ্যাপ্টা আর সমতল হবে।
শরীরের লোম পরিষ্কার থাকবে এবং ঘা থাকবেনা, অতিরিক্ত লোম উস্কু-খুস্কু থাকা উকুন বা আঠালির লক্ষণ।
চোখের নিচের অংশটা টেনে রক্তশুন্যতা আছে কিনা দেখা যায়।(মানুষে যেভাবে দেখে)
গরুর পায়ে কোনো ঘা থাকবেনা এবং পাগুলো ধনুকের মত বাঁকানো হবেনা।
এসব দেখে গরু চেনা যাবে এবং অন্য প্রানী (ছাগল, ভেড়া) কেনার সময়ও এভাবে পরীক্ষা করা যাবে।
কুরবানির গরু নিয়ে আসার পর যত্নঃ (১০০ কেজি ওজনের গরুর জন্য)
ঘাস ৪-৫ কেজি।
ইউরিয়া মোলাসেস মিশ্রিত খড় ২ কেজি।
দানাদার খাবার/ কুড়া/ ভুষি ২.৫ কেজি।
পরিমাণমত পানি।
লবন ১ কেজি দানাদার খাবারে ১০০ গ্রাম।
ভিটামিন প্রিমিক্স।
প্রাণী বিক্রির সময় বিক্রেতারা যেসব অসাধু কাজ করে থাকেনঃ
বয়স্ক গরুকে চামড়া টানটান দেখানোর জন্য চামড়ার নিচে বাতাস ঢুকিয়ে দেয়া হয়।
গরুর দাঁত ক্ষয়ে গেলে তাতে কালো রঙ করে কোনো ঘাস জাতিয় জিনিস ঢুকিয়ে দেয়া হয়, যাতে ক্রেতা গরুর বয়স কিংবা দাঁতের সমস্যা বুঝতে না পারে।
গরুর গায়ে কোনো ঘাঁ থাকলে সেখানে কাদা-ধুলা মেখে দেওয়া হয়।
গরুর সামনের পা একটু খোঁড়া থাকলে পিছনের পাও ইচ্ছা করে হাল্কা খোঁড়া করে দেয়া হয় যেন বোঝা না যায়।
মাংস বিক্রির সময় বিক্রেতারা যেসব অসাধু কাজ করে থাকেনঃ
গরুর মাংস বলে মহিষের মাংস বিক্রি।
ছাগলের মাংস বলে ভেড়ার মাংস বিক্রি।
বাসি বা অনেক আগে কাটা মাংসের উপর টাটকা রক্ত ছিটিয়ে দেওয়া।
মাংসের গায়ের চর্বিটাকে টাটকা দেখানোর জন্য হাল্কা হলুদের গুড়ো লাগিয়ে দেওয়া।
মাংসকে টাটকা দেখানোর জন্য তার গায়ে ফরমালিন যুক্ত পানি ছিটিয়ে দেওয়া।
অসুস্থ প্রাণীর মাংসকে সুস্থ প্রাণীর মাংসের সাথে মিশিয়ে বিক্রি করা।
কোন মাংসটি কোন প্রাণীর?
গরু আর মহিষ
গরু
গরুর মাংসের রঙ মহিষের মাংসের চেয়ে সামান্য কম লাল হয়।
গরুর মাংসে ফ্যাট এর মারবেলিং থাকে।
মহিষের মাংস তন্তুগুলো বেশি চিকন আর শক্ত হয়।
আমরা অনেকেই মহিষের মাংস খেতে চাইনা, তাই ব্যবসায়ীরা গরুর মাংসের চাহিদার জন্য এমন অসাধুতা করে। কিন্তু স্বাস্থ্যগত দিক দিয়ে মহিষের মাংসে গরুর মাংসের চেয়ে চর্বি কম থাকায় মহিষের মাংস খাওয়া বেশি ভাল।
খাসি আর ভেড়ার মাংস
খাসি
প্রথমেই বলে নিই,ভেড়ার মাংসের আসল ইংরেজি নাম হল মাটন আর খাসির মাংসের নাম হল চেভন। আমরা এটা প্রায় ভুল করি।
ভেড়ার মাংসের রঙ একটু বেশি লাল হয় খাসির চেয়ে।
ছাগলের মাংসে ফ্যাটগুলো মারক করা থাকে
খাসির মাংসে একটু গন্ধ থাকে (ক্যাপ্রোয়িক গন্ধ)।
ভেড়া
আজকে এতটুকুই, আমার লেখা যে উদ্দ্যেশ্যে লেখা সে মোতাবেক যদি আপনারা এই ঈদে কুরবানির পশু কিনে থাকেন এবং ভবিষ্যতে বাজার থেকে মাংস কিনার সময় সচেতন থাকেন তবেই আমি সার্থক। তাও কোনো সমস্যা হলে আপনার নিকিটস্থ ভেটেরিনারিয়ানকে জানান এবং অতি অবশ্যই কুরবানি করার পরে আপনার চারপাশ পরিষ্কার রাখবেন।



অসৎ নারীদের চেনার উপায় কী? জেনে রাখুন বিয়ের পরে কাজে লাগবে ….



ছলনাময়ী নারীদের চেনার উপায়  
পুরুষের একটা দোষ আছে। কোনও নারী যদি তার দিকে চেয়ে একচিলতে হাসে, ধরেই নেয় কাজ হয়ে গেছে। খুশি তো ফসি। মেয়ে ইমপ্রেসড্! সহজেই রাজি হয়ে যাবে। এক-কে একশো ভেবে ফেলে সেই নির্বোধ পুরুষ। তাই নারীকে একপ্রকার বাধ্য হয়েই অতিমাত্রায় ব্যক্তিত্ব ধরে রাখতে হয় পুরুষের সামনে। ইচ্ছে না থাকলেও জোর করে দুর্ব্যবহার করতে হয় অনেক সময়। কোনও পুরুষ যেচে আলাপ করতে এলে, এমন অ্যাটি দেখায়, যেন বাকিংহাম প্যালেসের রানি! মুখ ঘুরিয়ে চলে যায়। খারাপ কথা বলে দেয়। হাবেভাবে বোঝায়, “তোমাকে আমার চাই না”। পুরুষ পড়ে ধন্দে। মনে করে নারী খুব জটিল প্রাণী। …এবং জেনে রাখুন, এই শ্রেণির নারীর সংখ্যাই আমাদের সমাজে বেশি। ঘরে-বাইরে দীর্ঘদিনের ট্রেনিংয়ের ফলেই এই প্রকার নারীর আবির্ভাব।
আরও একটা নির্বোধ টাইপ আছে, যার কোনও ইগোফিগো নেই। যে নারী কোনও ছকে চলে না, তাকে নিয়েই যত জ্বালা। সে হাসলে পুরুষ ভেবে নেয় অনেককিছু। খেতে দিলে, শুতে চায়। এই নারী নিতান্ত সরল টাইপ। এই টাইপটাকে মানুষ সহজেই ভুল বোঝে। সে যদি ভালো মনে কিছু করতেও যায়, খারাপটাই ভেবে নেয় সকলে। মনে করে অন্য কোনও মতলব আছে তার। কিন্তু এই দুই প্রকার নারীর বাইরেও আরও একপ্রকার নারী আছে, যে ফ্লার্টিংকে শিল্পের পর্যায় নিয়ে গেছে। আলাপের প্রথম প্রথম এমন হাবভাব করে, যেন ভাজা মাছটা উলটেই খেতে শেখেনি। পৃথিবীর রং, রূপ, গন্ধ – সবই প্রথম দেখছে। শিহরিত হচ্ছে পলকে পলকে। সেই মেকি সারল্যের প্রেমে পড়ে পুরুষ।
তখনই অনেকটা জিতে যায় ছলনাময়ী। ক্রমে সুতো ছাড়তে শুরু করে। এই ধরনের নারী কিন্তু খুব ধীরস্থির। হড়বড় করে কথা বলে না। খুব মার্জিত চালচলন। মিষ্টি হাসিটাও ফেক। দীর্ঘদিনের হোমওয়ার্ক করে আনা। সাধারণত কমিটমেন্টে বিশ্বাস করে না। একই সময় বহুপুরুষের সঙ্গে সদ্ভাব রাখতে পারে। এমন নারী বিশ্বাসের অযোগ্য হলেও, সবাই তাকে বিশ্বাস করে নেয়। সে আসে, দেখে, জয় করে। কী করে চিনবেন এমন নারীকে, কী করে বুঝবেন তিনি ফ্লার্ট করছেন আপনার সঙ্গে। জেনে নিন –
১. লজ্জাই নারীর ভূষণ। এই ধরনের নারীরা আপাত ভদ্র হলেও তাদের মধ্যে নির্লজ্জ হাবভাব প্রকাশ পায়। পুরুষের চোখের দিকে চেয়ে থেকে এমনভাবে, যেন তার ভিতরটা পড়ে ফেলছে। নারীর ওই দৃষ্টি পুরুষের সর্বনাশের কারণ।
২. মাথার চুল নিয়ে নাড়াচাড়া করতে শুরু করে কথা বলার সময়। পুরুষকে বাধ্য করে তার রূপের দিকে নজর দিতে। ইচ্ছে করে ইঙ্গিতবাহী পোশাক পরে আসে তার সামনে। যাতে সহজেই আকৃষ্ট করতে পারে।
৩. পুরুষের সঙ্গে বন্ধুত্ব করে প্রথমে। তারপর তার বাড়ির ব্যাপারে খোঁজ নিতে থাকে। যেহেতু এই নারীকে পুরুষ সহজেই বিশ্বাস করে নেয়, নিজের সম্পর্কে সবই তাকে বলে ফেলে। এমন নারী কিন্তু পুরুষকে ফাঁদে ফেলতে ওস্তাদ। নানাভাবে বিশ্বাস অর্জন করে, ব্ল্যাকমেইল করতেও পিছপা হয় না।
৪. নানা ছুতোয় কথা বলার সুযোগ খোঁজে এই নারী। এড়িয়ে গেলে বাড়ি চলে আসে। যেহেতু ততদিনে বাড়ির লোকের সঙ্গেও সদ্ভাব করে নেয়, তাই বাড়ির লোকের নজরেও সে বিশ্বাসযোগ্য।
৫. বারংবার দেখা করার ফাঁক খোঁজে। সেই দেখা হওয়া কিন্তু একান্তে। অন্য কাউকে ডাকে না তখন।
৬. মাঝরাতে মেসেজ করে। রাত ১টা, ২টোর সময় মাখোমাখো মেসেজ পাঠাতে থাকে।
৭. এমন নারীর সঙ্গে কখনওই মদ্যপান করা উচিত নয়। হতেই পারে অচৈতন্য মুহূর্তের সুযোগ নিয়ে পরবর্তীকালে সমস্যায় ফেলে দিল।
৮. এই নারী নানা অছিলায় যৌনতাকে নিয়ে আসে আলোচনার মধ্যে। পুরুষকে যৌনভাবে উত্তেজিত করার চেষ্টা করে। সেই উত্তেজনার বশে পুরুষ যদি মাত্রাতিরিক্ত কিছু করেও ফেলে, বিপদ কিন্তু পুরুষেরই। এই নারী কিন্তু অবলীলায় দোষ চাপিয়ে দিতে পারে পুরুষের ঘাড়ে।
অধিক কামুক মেয়ে চেনার উপায় ! 
ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট সিন্ডি মেস্টন এবং ইভোল্যুশনারি সাইকোলজিস্ট ডেভিড বাস পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের ১০০৬ জন মহিলার সাক্ষাৎকার নিয়েছেন তাদের যৌন অনুপ্রেরণার বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে। আর মাত্র ১০০৬ জন নারীর কাছ থেকেই বেরিয়ে এসেছে যৌনতার ২৩৭ টি আলাদা আলাদা কারণ। যদিও অনেকগুলো কারণের ব্যাপারে প্রায় সবাই একমত, আবার অনেকগুলো কারণ কয়েকজনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। তো দেখা যাক, কারণগুলি কী কী?
গবেষকরা নারীদের যৌন-প্রেরণাগুলিকে তিন ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করেছেন- শারীরিক, আবেগ সংক্রান্ত এবং বস্তুবাদী কারণ। এই ক্যাটাগরির সাব ক্যাটাগরিতেই রয়েছে, আত্মবিশ্বাস বাড়ানো, সেল্ফন স্টিমুলেশন, প্রেমিককে ধরে রাখা। তেমনই রয়েছে- জোর-জবরদস্তির শিকার হওয়া পর্যন্ত। এর মধ্যে যেমন রয়েছে সম্পূর্ণ পরোপকারী উদ্দেশ্য, তেমনই রয়েছে সম্পূর্ণ বদ মতলব। যেমন, কাউকে ভয়ানক রোগে আক্রান্ত করা।
অবভিয়াসলি! আদি অনন্তকাল ধরেই সবাই জানে “মেয়েদের যৌনতা ভালবাসা তাড়িত, আর ছেলেদের যৌনতা ইন্দ্রিয়সুখ তাড়িত”, পশ্চিমি দেশগুলি এই মিথকে উড়িয়ে দেয়। অর্ধেকেরও বেশি সংখ্যক মহিলা কোনও ধরণের রোম্যান্টিক রিলেশনশিপে না থাকা অবস্থায় শুধুই ইন্দ্রিয় সুখের জন্য সেক্স করতে আপত্তি দেখাননি। তবে কারও সঙ্গে রোম্যান্টিক রিলেশনে থাকা অবস্থায় ইন্দ্রিয় সুখের জন্য অন্য কারও সঙ্গে সেক্স করার ব্যাপারে প্রায় ৮০ শতাংস মহিলার ঘোরতর আপত্তি রয়েছে। অর্থাৎ সিঙ্গল অবস্থায় রোম্যান্সবিহীন সেক্সে অনেকেই আগ্রহী হলেও পার্টনারের সঙ্গে ‘চিটিং’কে তাঁরা সমর্থন করেন না।
এটাও অবভিয়াস। প্রেমে পড়লে আবেগতাড়িত হয়ে প্রেমলীলায় মত্ত হয়নি এরকম জুটি খুঁজে পাওয়া দুষ্কর।
অনেক সময়ই নিজের আবেগের চেয়ে বড় হয়ে দাড়ায় পার্টনারকে ধরে রাখার প্রচেষ্টা। পার্টনারের আবেদনে সাড়া না দিলে সে ছেড়ে চলে যেতে পারে, এই ধারণা থেকে অনেক সময়ই অনিচ্ছা সত্ত্বেও সাড়া দেন ।
অনেক মহিলাই রোম্যান্টিক সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও পুরুষদের আবেদনে সাড়া দেন এই উদ্দেশ্যে যে, পুরুষটির সম্পর্কে চিড় ধরিয়ে সেই পুরুষটিকে তাঁর দিকে আকর্ষিত করতে।
যৌনকর্ম করে ঠিকই কিন্তু একজন মেয়ে মাসের পর মাস যৌনকর্ম না করে থাকতে পারে কোন সমস্যা ছাড়া।৩. মেয়েরা রোমান্টিক কাজকর্ম যৌনকর্ম চেয়ে অনেক বেশী পছন্দ করে। বেশীর ভাগ মেয়ে গল্পগুজব হৈ হুল্লোর করে যৌনকর্মর চেয়ে বেশী মজা পায়।৪. মেয়েরা অর্গ্যাজম করে ভগাংকুরের মাধ্যমে, মেয়েদের অর্গ্যাজমে কোন বীর্য বের হয় না।
নারীরা যৌন মিলনে আগ্রহী হলে তাঁদের ঠোঁট রক্তাভ হয়ে ওঠে। স্বাভাবিকের চাইতে অনেক বেশি লাল হয়ে যায় ঠোঁট।
– নারীদের গালেও লালিমা দেখা দেয় উত্তেজনায়। অনেক্র একটু একটু ঘামেন, নিঃশ্বাস ভারী হয়ে আসে।
– যৌন উত্তেজিত হলে শরীর খুবই স্পর্শকাতর হয়ে ওঠে। আপনার সামান্য স্পর্শেই শিহরিত হয়ে উঠবেন তিনি।
– যতই লাজুক স্বভাবের নারী হোন না কেন, যৌন মিলনে আগ্রহী হলে তিনি নিজেই আপনার কাছে আসবেন। হয়তো সরাসরি কিছু না বললেও আপনার কাছে এসে বসবেন, আলতো স্পর্শ করবেন, চুমু খাবেন, চোখের ইশারায় কথা বলবেন।
– প্রবল উত্তেজনার সময় যৌন মিলন কালে তিনি আপনাকে আঁচড়ে কামড়ে দেবেন। হাতের নখ আপনার শরীরে গেঁথে বসতে পারে, গলায় কানে ইত্যাদি স্থানে তিনি কামড় দেবেন উত্তেজনায়।
– এছাড়াও মিলনের সময় শীৎকারে বুঝবেন যে তিনি আনন্দ পাচ্ছেন ও প্রবল ভাবে উত্তেজিত। অনেকেই জোরে আওয়াজ করেন না, কিন্তু একটা মৃদু “আহ উহ” আওয়াজ হবেই।
যদি স্ত্রী আপনার সাথে যৌন মিলনে আগ্রহ না দেখান, তাহলে হতে পারে সেটা তাঁর লজ্জার কারণে। বিষয়টি লজ্জার কারণে হলেও আপনি সেটা বুঝতে পারবেন। আপনি স্পর্শ করলে তিনি শিহরিত হবে, যোনি পিচ্ছিল হয়ে যৌন মিলনের জন্য প্রস্তুত হবে, তিনি আপনাকে বাঁধা দেবেন না মিলনে। কিন্তু একটা জিনিস মনে রাখবেন, যৌন মিলনে আগ্রহ না দেখানো এবং অনীহা প্রকাশ করা, দুটি কিন্তু সম্পূর্ণ ভিন্ন ব্যাপার।

ঠোঁট দেখে নারীর ব্যক্তিত্ব চেনার উপায়! 

নারীর ঠোঁটের গড়ন দেখেই তাদের ব্যক্তিত্ব চেনা যায়, বোঝা যায় তাদের মানসিকতা। বিষয়টি পুরোপুরি ধারণানির্ভর হলেও একেবারে অযৌক্তিক বা উড়িয়ে দেবার বিষয় নয়।
সম্প্রতি, এক গবেষণায় বিজ্ঞানীরা দাবী করেছেন নারীদের ঠোঁট দেখে তাদের ব্যক্তিত্ব, মানসিকতা, মন-মেজাজ ইত্যাদি ভালোভাবে চেনা যায়। তারা বলছেন, নারীদের ঠোঁট দেখে শতভাগ চেনা না গেলেও অন্তত তাদের ব্যক্তিত্ব কেমন সেইটুকু বোঝা যায়।
আসুন জেনে নেয়া যাক কোন ঠোঁটের নারী কেমন হয়-
# যে নারীর ঠোঁটের আকার হৃদয়ের মতো, তিনি খুব সেক্সুয়াল ও কনফিডেন্ট।
# যদি ওপরের ঠোঁট নীচের ঠোঁটকে কভার করে, তাহলে সেই নারীর স্বভাব এবং বিচার-বিবেচনা খুব ভালো।
# যে নারীর নীচের ঠোঁট মোটা, তিনি অনেক ভালোবাসা পেয়ে থাকেন। এ ঠোঁটের নারীরা কাউকে যত না ভালোবাসেন, তার চেয়ে বেশি ভালোবাসা পান।
# শুকনো ঠোঁট হলে, সেই নারী খুব পরিশ্রমী হন। তারা নিজেকে নিয়ে বেশি ভাবনা-চিন্তা করেন না।
# যাদের ঠোঁট মোটা, তারা খুব কঠিন স্বভাবের হন।
# নীচের ঠোঁট বাইরের দিকে বেরিয়ে থাকলে সেই নারী ঠোঁটকাটা স্বভাবের হন।


নিশো-মিথিলার ছবি নিয়ে প্রেমের গুঞ্জন


নিশো-মিথিলার ছবি নিয়ে প্রেমের গুঞ্জন


নাটকের একটি দৃশ্যে দেখা যাচ্ছে বারান্দার গ্রিলে পা তুলে বসে আছেন নিশো আর তার পায়ের উপর বসে আছেন মিথিলা, আর তাকে কিছু একটা নিশোকে খাইয়ে দিচ্ছেন মিথিলা। এই ছবিটি দেখে অনেক দর্শকের মনেই উকি দিয়েছে নতুন সন্দেহ। অনেকেই ভেবেছেন তাদের মধ্যে তৈরি হয়েছে কোন নতুন রসায়ণ।

আসছে শিহাব শাহীন এবার নির্মাণ করলেন সম্পর্কের টানাপোড়েনের গল্প নিয়ে নাটক ‘ডিভোর্স’। আর নাটকটি প্রচারিত হবে এবারের ঈদে। এই নাটকের মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন মিথিলা। আর তার বিপরীতে নায়ক হিসেবে আছেন আফরান নিশো। সম্প্রতি রাজধানীর উত্তরায় দুটি ভিন্ন শুটিং হাউসে নাটকটির শুটিং শেষ হয়েছে। এই নাটকেরই দৃশ্য এটি।

মূলত মিডিয়াতে আফরান নিশো ও মিথিলার পথচলা বলা যায় একই সঙ্গে। যে কারণে দুজনের মধ্যে সম্পর্কটা বন্ধুত্বের। তাই দুই বন্ধু যখন কোনো নাটকে একসঙ্গে কাজ করেন, তখন শুটিংয়ের ফাঁকে ফাঁকে গল্প, আড্ডাও জমে উঠে বেশ। ‘ডিভোর্স’ নাটকের শুটিংয়েও তাই হয়েছিল বলে জানান মিথিলা।

তবে গল্পের যে বিষয়বস্তু তা ফুটিয়ে তুলতে নিশোর আন্তরিকতার কোনো কমতি ছিল না বলে জানালেন তিনি। ‘ডিভোর্স’ নাটকে অভিনয় প্রসঙ্গে মিথিলা গণমাধ্যমকে জানান, ‘সম্পর্কের টানাপোড়েনের গল্প নিয়েই এই নাটকটি শিহাব ভাই নির্মাণ করেছেন। এটা কারো জীবনের কোনো ঘটনার সঙ্গে মিলিয়ে ফেলাটা বোকামি হবে। আমাদের সবার মধ্যেই সমস্যা থাকে। সমস্যাগুলো নিজেরা বুঝে নিয়ে বোঝাপড়া করলেই ঠিক হয়ে যায়। আর যদি তা না করা যায় তাহলে দূরত্ব বাড়তেই থাকে।

রূপালী ব্যাংকে ৬৯৯টি Officer পদে বিশাল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত



রূপালী ব্যাংকে ৬৯৯টি Officer পদে বিশাল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত


Bankers' Selection Committee Secretariat of Bangladesh Bank Just Published another Job Circular for Officer for Sonali, Rupali, Janata, Bangladesh Krishi Bank, Rajshahi Krishi Unnayan Bank, Bangladesh Development Bank, Bangladesh House Building Finance Corporation and Bangladesh Investment Corporation. There are Total 3463 Vacant Position. 
SLName of Bank/ InstitutionNumber of VacancyName of Position
01Sonali Bank Limited363Officer
02Janata Bank Limited190Officer
03Rupali Bank Limited699Officer
04Bangladesh Development Bank Limited18Officer
05Bangladesh Krishi Bank1722Officer
06Rajshahi Krishi Unnayan Bank455Officer
08Bangladesh Investment Corporation16Officer
Eligibility:
  • Four year Honors/Masters degree from any Govt. approved university with at-least one first division/class.
  • Third division/class in any examination is not allowed.
  • Age Maximum 30 years for General Candidates as on 01/08/2017 and Maximum 32 Years for Freedom Fighter Quota as on 01/08/2017
Apply Instruction:
  • Interested Applicant Can Apply by Online Application Form through BSCS Official Website www.erecruitment.bb.org.bd within 22 September 2017.
  • Applicant Must Mention/ Fill up the Result Publication Date on Online Application form for All Academic Examination.
  • Married Female Candidates Must Fill her Husband Permanent Address as her Permanent Address.
  • For Detailed Instruction you may follow the Recruitment Website.
  • Applicant Must Reserve the Tracking Number Form after Application for Future References.
Bangladesh Bank Officer Job Circular
Bankers' Selection Committee Secretariat of Bangladesh Bank has been Published a New Job Circular for Senior Officer (General) Ranked for 8 Governemtn Banking and Financial Organization. There are Total 1663 Vacant Position to Prepare a Panel for Recruitment.







বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে ১৭২২টি Officer পদে নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত



বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে ১৭২২টি Officer পদে নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত


Bangladesh Krishi Bank Published a New Job Circular for Senior Officer (General) and Officer. Interested and Eligible Applicant Can Apply within 17 September 2017 for Senior Officer and Last date is 22 September for Officer. There are Total Number of Vacant Position is 351 for senior Officer and 1722 for Officer. BKB Job Circular and Other Information are given below.
Name of the PositionNo. of VacancyEducational QualificationApplication Last Date
Officer1722
  • Four year Honors/Masters degree from any Govt. approved university with at-least one first division/class.
  • Third division/class in any examination is not allowed.
22 September 2017
Senior Officer351
  • Four year Honors/Masters degree from any Govt. approved university with at-least two first division/class.
  • Third division/class in any examination is not allowed.
17 September 2017
Age as on 01/08/2017    :     
a. 30 years maximum
b. 32 Years maximum in case of son/daughter of freedom fighter or Handicapped Quota
Apply Instruction:
To Apply for Bangladesh Krishi Bank Login to Bangladesh Bank Official Recruitment Website https://erecruitment.bb.org.bd with your CV Identification Number and Password if you alread have a Account on Bangladesh Bank Recruitment Syste. If you do not applied already for any Position under Bangladesh Bank or Bankers Selection Committee you need to Create your Account First with a 600x600 Photographs, 300x80 Pixel Signature, Basic Information, Academic Information and Others. You must to Input your All Academic Result Publication Date to Creat a New Account.
Sonali Bank Officer Job Circular








বাংলাদেশ ব্যাংকে ৩৪৬৩টি Officer পদে বিশাল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত



বাংলাদেশ ব্যাংকে ৩৪৬৩টি Officer পদে বিশাল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত



Bankers' Selection Committee Secretariat of Bangladesh Bank Just Published another Job Circular for Officer for Sonali, Rupali, Janata, Bangladesh Krishi Bank, Rajshahi Krishi Unnayan Bank, Bangladesh Development Bank, Bangladesh House Building Finance Corporation and Bangladesh Investment Corporation. There are Total 3463 Vacant Position. 
SLName of Bank/ InstitutionNumber of VacancyName of Position
01Sonali Bank Limited363Officer
02Janata Bank Limited190Officer
03Rupali Bank Limited699Officer
04Bangladesh Development Bank Limited18Officer
05Bangladesh Krishi Bank1722Officer
06Rajshahi Krishi Unnayan Bank455Officer
08Bangladesh Investment Corporation16Officer
Eligibility:
  • Four year Honors/Masters degree from any Govt. approved university with at-least one first division/class.
  • Third division/class in any examination is not allowed.
  • Age Maximum 30 years for General Candidates as on 01/08/2017 and Maximum 32 Years for Freedom Fighter Quota as on 01/08/2017
Apply Instruction:
  • Interested Applicant Can Apply by Online Application Form through BSCS Official Website www.erecruitment.bb.org.bd within 22 September 2017.
  • Applicant Must Mention/ Fill up the Result Publication Date on Online Application form for All Academic Examination.
  • Married Female Candidates Must Fill her Husband Permanent Address as her Permanent Address.
  • For Detailed Instruction you may follow the Recruitment Website.
  • Applicant Must Reserve the Tracking Number Form after Application for Future References.
Bangladesh Bank Officer Job Circular
Bankers' Selection Committee Secretariat of Bangladesh Bank has been Published a New Job Circular for Senior Officer (General) Ranked for 8 Governemtn Banking and Financial Organization. There are Total 1663 Vacant Position to Prepare a Panel for Recruitment.